Skip to main content

মাল্টি নিশ VS সিঙ্গেল নিশ আপনার জন্য কোনটা ভালো বিস্তারিত ইজিলাউড

মাল্টি নিশ VS সিঙ্গেল নিশ আপনার জন্য কোনটা ভালো বিস্তারিত ইজিলাউড

মাল্টি নিশ VS সিঙ্গেল নিশ আপনার জন্য কোনটা ভালো, আপনার জন্য কোন নিশ টি ভালো হবে ?

ওয়েল আমি আকাশ আছি আপনাদের সাথে, এই পোস্ট টি তোমাদের জন্যই করা যারা মাল্টি নিশ VS সিঙ্গেল নিশ এর ভিতর পার্থক্য গুলা খুঁজছ এবং তার সাথে তোমার জন্য কোন নিশ টা ভালো হবে ?

প্রথমেই আসি যে নিশ বলতে আসলে কি বুঝায়

মনে করো তুমি একটি টপিক এর উপর অনেক বিশি পারদর্শী এবং তুমি শুধুমাত্র সেই টপিক টা নিয়েই ব্লগিং করতে চাও। তাহলে এটা কে বলে সিঙ্গেল নিশ। আর তুমি যদি বিভিন্ন বিষয়ে পারদর্শী হয়ে থাকো এবং তুমি সেই বিষয় গুলা নিয়ে ব্লগিং করতে চাও তাহলে সেটা হোল মাল্টি নিশ । 

তোমার জন্য কোন নিশ টা ভালো হবে

দেখো এটা সম্পূর্ণ ডিপেন্ড করে তোমার উপর, তুমি ব্লগিং শুরু করার আগে নিজেকে নিজে কিছু প্রশ্ন করো। তুমি কি আসলেই ব্লগিং করতে পারবে বা তোমার জন্য কোন নিশ টা বেস্ট হবে। দেখো তোমার যদি নিজের উপর নিজের কিছুটা হলেই আত্মবিশ্বাস থাকে তাহলে তুমি ব্লগিং করতে পারবে, আর তোমার ইচ্ছা শক্তির উপরে কোন কিছুই নাই তুমি যদি মনে করো যে তুমি সিঙ্গেল নিশ নিয়ে তোমার ব্লগিং ক্যারিয়ার শুরু করবে তো তুমি করতে পারো। আর তুমি যদি মনে করো না তুমি মাল্টি নিশ নিয়ে ব্লগিং করবে তাহলে তুমি তাও করতে পারো। একটা বাপার তোমাকে অবশ্যই মাথায় রেখে ব্লগিং শুরু করতে হবে যদি তুমি মাল্টি নিশ বা সিঙ্গেল নিশ যেটা নিয়েই তোমার ব্লগিং ক্যারিয়ার শুরু করো না কেন তোমার যদি ইচ্ছা শক্তি থাকে তাহলে তুমি যে কোন একটা নিশ বেছে নিয়ে ব্লগিং শুরু করতে পারো

সিঙ্গেল নিশ নিয়ে ব্লগিং শুরু করতে হলে তোমার কি করনীয়

তুমি কি ধরনের টপিক এর উপর সিঙ্গেল নিশ ব্লগিং করতে চাও তোমাকে আগে তোমার কাংখিত টপিক টি নির্বাচন করতে হবে। এবং তুমি যে টপিক এর উপর সিঙ্গেল নিশ ব্লগিং করতে চাও সেই টপিক এর ডিপেন্ড করে একটি এসইও ফ্রেন্ডলি ডোমেইন নেম নির্বাচন করো আর শুরু করে দাও সিঙ্গেল নিশ ব্লগিং। 

মাল্টি নিশ নিয়ে ব্লগিং করতে হলে তোমার কি করনীয়



মাল্টি নিশ নিয়ে ব্লগিং করতে হলে তোমাকে এটা নিজেই ঠিক করতে হবে তুমি কোন কোন টপিক এর উপর মাল্টি নিশ ব্লগিং করবে। আমি একটু বুঝিয়ে বলতে চাই মনে করো মাল্টি নিশ ব্লগিং মানে এটা নয় যে তোমাকে অনেক অনেক টপিক নিয়ে মাল্টি নিশ ব্লগিং করতে হবে, তুমি তোমার ইচ্ছা মতো টপিক নির্বাচন করে মাল্টি নিশ ব্লগিং শুরু করতে পারো। সেটা হতে পারে অনেক টপিক এর উপর আবার এক এর অধিক টপিক এর উপর। মাল্টি নিশ ব্লগিং এর মানে হোল যখন ই তুমি একটির বেশি টপিক নিয়ে ব্লগিং করবে সেটি হচ্ছে মাল্টি নিশ ব্লগিং, আবার তুমি তুমি অনেক টপিক নিয়ে ব্লগিং করলেই সেটিও মাল্টি নিশ ব্লগিং। বুজতে পারলে তো তাহলে মাল্টি নিশ ব্লগিং কি ? এখন তুমি নির্বাচন করো যে তুমি কি কি টপিক এর উপর মাল্টি নিশ ব্লগ করবে, আর তারপর সেই অনুযায়ী একটি ডোমেইন নেম কিনে নাও আর মাল্টি নিশ ব্লগিং করা শুরু করে দাও।

মাল্টি নিশ VS সিঙ্গেল নিশ তোমার জন্য কোন প্লাটফর্ম টি ভালো হবে ব্লগিং করার জন্য

তুমি কি ব্লগার বা ওয়ার্ডপ্রেস দুইটা প্লাটফর্ম এর সাথে পরিচিত ? তোমার উত্তর যদি হা হয় তাহলে তো খুব ই ভালো আর যদি তোমার উত্তর না হয় আমি তাহলে তোমাদের কে খুব ছোট করে একটু বলতে চাই ব্লগার ও ওয়ার্ডপ্রেস এর পার্থক্য গুলিকে। যদি তুমি একদম ই নতুন হয়ে থাকো ভাবছো যে তুমি যে কোন একটি নিশ এর উপর ব্লগিং লেখবে তাহলে আপনি বলবো তোমার জন্য ওয়ার্ডপ্রেস ই ভালো হবে। কেননা ওয়ার্ডপ্রেস এ কোন ঝামেলাই নাই কোন কোডিং স্কিল এর ও প্রয়োজন হবে না, এবং তুমি তোমার ব্লগ টিকে এসইও করার জন্য ও অনেক ভালো ভালো প্লাগিন পেয়ে যাবে। আর ব্লগার হোল সব কিছুই নিজেকে অর্থাৎ তোমাকে করতে হবে। তোমাকে ব্লগার এ হালকা পাতলা কিছু কোডিং করতে হবে পারে, তারপর এসইও তাও নিজেকে করতে হবে। তবে তুমি যদি টাকা খরচ না করতে চাও তবে তুমি ব্লগার দিয়ে শুরু করতে পারো। আর তুমি যে প্লাটফর্ম তাই বেছে নাও না কেন তোমার যে কোন নিশ এর ব্লগিং করার জন্য দুইটা প্লাটফর্ম ই ভালো। তবে ওয়ার্ডপ্রেস এ তোমাকে কিছুটা খরচ করতে হবে, আর ব্লগার এ ফ্রী তে করতে পারবে। 

কোন নিশ এ কেমন এসইও করতে হবে বা কোন নিশ নিয়ে ব্লগিং করলে ভালো রাঙ্ক করতে পারবে

আমি যখন প্রথম ব্লগ শুরু করি না জানি আমি তখন কোথায় কোথায় আর কতই না ওয়েবসাইট এ গিয়ে কতো কথাই না পরছি যে এই নিশ টা তোমার জন্য ভালো হবে, এই নিশ নিয়ে ব্লগিং করলে তোমার তোমার ব্লগ রাঙ্ক করাতে অনেক প্রবলেম এর সম্মুখিন হতে হবে, না জানি এমন আরও কতো কি। তো আমি আজ তোমাদের তোমাদের সাথে এই বিষয় টা নিয়ে যতো গুলা মিস কনসেপশন আছে সব কিছুই ভালো ভাবে বুঝানোর চেষ্টা করবো। দেখো তুমি  সিঙ্গেল নিশ ব্লগিং করো বা মাল্টি নিশ ব্লগিং করো এসইও টা কিন্তু তোমাকে অবশ্যই করতে হবে। এসইও ছাড়া তুমি কোন ভাবেই তোমার যে কোন নিশ এর ব্লগ রাঙ্ক করাতে পারবেনা। অনেকে বলে থাকে তুমি সিঙ্গেল নিশ এর ব্লগ করো তাহলে তোমাকে খুব বেশি এসইও করতে হবে না, আর সিঙ্গেল নিশ এর ব্লগ এর নাকি কম্পিটিটর ও নাকি অনেক কম। খুব ই হাসি পায় এসব কথা শুনলে, আমি তোমাদের কে আমার নিজের বাক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলছি কোন নিশ এর কম্পিটিটর কম নয়, আর তুমি যে নিশ টা নিয়েই ব্লগিং করো না কেন তোমাকে এসইও টা করতেই হবে। এখন আমি যদি বলি তুমি জানো কি সিঙ্গেল নিশ নিয়ে ব্লগিং করতে হলে তোমাকে বেশি করে সময় সাথে এসইও ও হার্ড ওয়ার্ক ও হবে। হা বন্ধুরা আর তুমি যদি মাল্টি নিশ নিয়ে ব্লগিং করো তাহলেই তোমাকে হার্ড ওয়ার্ক করতে হবে। তার কারন তুমি হার্ড ওয়ার্ক ছাড়া কোন নিশ নিয়ে ব্লগিং করে সাকসেসফুল হতে পারবেনা। কাজেই তুমি যে নিশ নিয়েই ব্লগিং করো না কেন তোমাকে হার্ড ওয়ার্ক অবশ্যই করতে হবে।

মাল্টি নিশ VS সিঙ্গেল কোন নিশ নিয়ে তুমি ব্লগিং করলে তুমি বেশি টাকা ইনকাম করতে পারবে

আমি জানি এই প্রশ্ন টা আমাদের অনেকের ই মাথায় ঘুরঘুর করে থাকে। দেখ এটা সম্পূর্ণ নির্ভর করে যে তুমি কোন টাইপ এর টপিক নিয়ে ব্লগিং করছো, তোমার কনটেন্ট কতটা ইউনিক, আর তোমার ব্লগ এর ভিজিটর এর উপর। কখনেই এটা ভাববে না যে সিঙ্গেল নিশ এ বেশি টাকা অথবা মাল্টি নিশ এ বিশি টাকা ইনকাম করতে পারবে। 

কোন নিশ নিয়ে ব্লগিং করলে অ্যাডসেন্স এপ্রুভাল পাবে বা নাও পেতে পারো

এটাও কিন্তু খুব এ কমন একটা প্রশ্ন যে আমি কোন নিশ টা নিয়ে ব্লগিং করলে তুমি খুব তারা তারি অ্যাডসেন্স এপ্রুভাল পাবে ? দেখো তুমি যে কোন নিশ নিয়েই কাজ করে অ্যাডসেন্স এপ্রুভাল পাবে, তবে তোমার নিশ টা যদি অন টাইম সিঙ্গেল নিশ হয়ে থাকে তাহলে অ্যাডসেন্স এপ্রুভাল পেতে একটু বেগ পেতে হতে পারে। অন টাইম সিঙ্গেল নিশ মানে তুমি এমন একটা সাইট তৈরি করলে যেখানে শুধু কোডিং এর সম্পর্কে এ টু জেড বলা আছে, বা এমন একটি সাইট যেখানে তুমি একবার অর্থাৎ একটা সময় ই তুমি তোমার সাইট টিতে কাজ করবে আর পরবর্তী সময়ে ওই ব্লগ থেকে ইনকাম করবে। তাহলে হয়তবা তোমার জন্য একটু প্রবলেম হয়ে যাবে অ্যাডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়া। টা ছাড়া তুমি যে কোন নিশ নিয়ে ব্লগিং করো কোন প্রবলেম হবে না তুমি অ্যাডসেন্স এপ্রুভাল পাবে।

আমার কিছু পরামর্শ

তুমি যে নিশ নিয়েই ব্লগিং করতে চাও না কেন, তার জন্য তোমাকে হার্ড ওয়ার্ক করতে হবে, তোমাকে আগে ভালো করে নিজে বুজতে হবে জানতে হবে, না হলে তো তুমি অন্য কাউকে কিভাবে বুঝাবে। আর কখনই হাল ছেড়ে দিলে চলবে না। দেখো ব্লগিং কোন দুই এক দিন এর কাজ না যে তোমার দুই এক দিন ভালো লাগলো তাই তুমি ব্লগিং করতে চাও বা তোমার কিছু দিন ভালো লাগলো তুমি কিছু পোস্ট করলে, আর তুমি দেখলে তোমার ব্লগ এ লোক আসছে না আর তুমি ব্লগিং করা ছেড়ে দিলে তাহলে তুমি ব্লগিং তো দূরে থাক অনলাইন থেকে কিছুই করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেনা। তোমাকে এর জন্য সময় দিতে হবে কষ্ট করতে হবে। এবং সঠিক সময়ের অপেক্ষা করতে হবে। তোমার ইচ্ছা শক্তিকে সব সময় চাংগা রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে যে আমি এখন টায়ার্ড এই জন্য আমাকে এখন থামলে চলবে না, আমি তখন ই থামবো যখন আমি সফলটা অর্জন করতে পারবো। ভালো থাকবে সবাই। ধন্যবাদ 

Comments

Popular posts from this blog

Google Adsense ইনকাম বাড়ানোর কার্যকারী কিছু টিপস

আপনার ব্লগে পর্যাপ্ত পরিমান ভিজিটর থাকা শর্তেও আপনার গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আরনিং ( Earning) অনেক কম হচ্ছে, কিন্তু কেন ? আপনার গুগল অ্যাডসেন্স থেকে ইনকাম কম হওয়ার পিছনে অনেক গুলা কারন কাছে। তাহলে চলুন সেই কারন গুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক, এবং সেই সঙ্গে কি করলে আপনার গুগল অ্যাডসেন্স থেকে মিনিনাম ৩০% ইনকাম বেশি করতে পারবেন।  গুগল অ্যাডসেন্স থেকে ইনকাম কম হওয়ার পিছনে কি কি কারন থেকে থাকে ?
আপনার ব্লগে পর্যাপ্ত পরিমান ভিজিটর না থাকার কারনে ।আপনি আপনার ব্লগে কি টাইপ এর কনটেন্ট পাবলিশ করেনআপনার কনটেন্ট গুলা কি ল্যাংগুয়েজ এর উপর বেজ করে তৈরি করা - মানে কি ভাষায় আপনার ব্লগের আর্টিকেল গুলা লেখা ।আপনার ব্লগে একটি পেজের ভিতর গুগল অ্যাডসেন্স এর কতো গুলা এড লাগানো আছে ।
আপনার ব্লগে অনেক ভালো ভালো কনটেন্ট আছে, কিন্তু আপনার ব্লগ এর বয়স বেশি দিন না, এই জন্য আপনার ব্লগ পপুলার ও না, আর এই জন্য আপনার ব্লগে ভিজিটর ও কম। তো যদি এমন এমন আপনার ব্লগ এর সব কিছুই ভালো শুধু আপনার ব্লগে ভিজিটর নেই। তাহলে আপনি বলুন আপনার ইনকাম হবে কিভাবে, ইনকাম হয়ার জন্য তো আপনার আগে ভিজিটর দরকার। তবে খুব অল্প ভিজিটর হলেই অনেক…

প্রফেশনাল ট্রাভেল ব্লগার হতে চান ? আপনার জন্য কিছু টিপস

বর্তমান ২০১৯ সাল আপনার মাথায় এই প্রশ্ন টা আসতেই পারে, এখন এই সময়ে কে ব্লগ পড়বে ?  তাও আবার ট্রাভেল ব্লগ। এখন তো ভিডিও এর যুগ, এখন কি কেঁউ ব্লগার পড়ে নাকি ? যদি আপনি এমন টা ভেবে থাকেন বা আপনার এমন টা মনে হয় তাহলে আমি বলবো আপনি সম্পূর্ণ ভুল। কেননা এখনও সারা বিশ্বে ৭২% মানুষ ব্লগ পড়ে। হ্যাঁ আমি ঠিক বলছি আপনি গুগলে সার্চ করে দেখতে পারেন। তো যাই হোক এখন মুল প্রসঙ্গে আশা যাক, আপনি কি একজন প্রফেশনাল ট্রাভেল ব্লগার হতে চান তাহলে আপনার জন্য কিছু দরকারি টিপস। এবং বিস্তারিত আলোচনা করবো ট্রাভেল ব্লগিং এর ভবিষ্যৎ নিয়ে। প্রফেশনাল ট্রাভেল ব্লগার হয়ে উঠতে গেলে এই বিষয় গুলা মেনে চলতে হবে
আপনাকে ভালো করে লিখতে হবেমিথ্যা বলতে বা লিখতে পারবেন না - বিস্তারিত পোস্ট এর ভিতর আলোচনা করছিআপনার বাজেট অনুযায়ী ট্রাভেল করাধৈর্য রাখতে হবে - পাশাপাশি আর্টিকেল লিখে যেতে হবে
দেখুন ব্লগিং করার মুল মন্ত্র হল সুন্দর করে লেখা। সে আপনি ট্রাভেল নিয়ে আর্টিকেল লিখুন বা অন্য কোন টপিক নিয়ে। আপনাকে এমন ভাবে লিখতে হবে যাতে করে আপনার লেখাটি যে পড়বে তার মনে একটা সুপস্ট ধারনা চলে আসে আপনি কি বুঝাতে চেয়েছেন, এবং সেই সঙ্গে আপনার লেখা পড়ে…

ডার্ক ওয়েব কি কিভাবে কাজ করে বিস্তারিত

ডার্ক ওয়েব নাম টাই কেমন একটু অদ্ভুত টাইপ এর টাই না। আর তা ছাড়া ডার্ক ওয়েব এর নাম শুনলেই অনেকে আছে আঁতকে উঠে। এবং অনেকে এটা বিশ্বাস ও করে যে ডার্ক ওয়েব অনেক খারাপ, ডার্ক ওয়েবে সব খারাপ কার্যক্রম হয়ে থাকে। আসলে ব্যাপার টা ঠিক টা নয়। ডার্ক ওয়েব বলতেই যে সব খারাপ তা নয়। ডার্ক ওয়েব কি, কেন এবং কিভাবে ব্যবহার করবেন এবং ডার্ক ওয়েব এর ভালো এবং খারাপ উভয় দিক নিয়েই বিস্তারিত বলবো। ডার্ক ওয়েব সম্পর্কে জানতে হলে আপনাকে আগে সার্ফেস ওয়েব এর কথা জানতে হবে।এখন এই সার্ফেস ওয়েব টা আবার কি? আচ্ছা আমি একটু সহজ ভাবে বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করছি, পুরো ইন্টারনেট এর ৪% হোল সার্ফেস ওয়েব এবং বাকি ৯৬% হোল ডার্ক এবং ডিপ ওয়েব। ডিপ ওয়েব এর প্রসঙ্গে একটু পরে আসছি। সার্ফেস ওয়েব বলতে বুঝায় যেমন ফেচবুক , ইউটিউব , ইন্সটাগ্রাম , টুইটার , গুগল এসব আর কি। 
ডার্ক ওয়েব কি ?
সার্ফেস ওয়েব এ আপনি যে সকল ওয়েবসাইট পাবেন তার ডোমেইন নেম এরকম হয়ে থাকে, .Com .Info .Net .Org আর ডার্ক ওয়েব এর ডোমেইন নেম হয়ে থাকে .onion, এবং আপনি সাধারণত সার্ফেস ওয়েব ব্রাউজ করার সময় যে সকল ব্রাউজার ব্যবহার করে থাকেন, আপনাকে ডার্ক ওয়েব ব্যবহার করতে হলে এসকল …