Skip to main content

এখন থেকে লক করা যাবে আপনার চুরি হওয়া ফোন | Easyloud | ইজিলাউড

এখন থেকে লক করা যাবে আপনার চুরি হওয়া ফোন | Easyloud | ইজিলাউড
এখন থেকে লক করা যাবে আপনার চুরি হওয়া ফোন,আর তার চেয়ে বড় কথা হচ্ছে আপনার ফোন টা কি বৈধ না কি অবৈধ সেটাও জানতে পারবেন,আজকে আমি আপনাদের কে জানাবো যে আপনি কিভাবে একটা এস এম এস  এর মাধ্যমে আপনার ফোন টা কি বৈধ না কি অবৈধ, বা আপনি আপনার মোবাইল থেকে ইউ এস এস ডি ডাইল করে করে জানতে পারবেন অনায়াসে। দেশের চুরি যাওয়া অধিকাংশ মোবাইল কিন্তু আসলে উদ্ধার করা  যায় না, বা দেখে যায় যে আমরা পাই না, তো সেই ক্ষেত্রে আমরা কিন্তু চুরি যাওয়া বা হারিয়ে যাওয়া ফোন এর জন্য কোন আইনি বাবস্থা নেই না, তো এই ক্ষেত্রে আমরা কিন্তু পড়ে যাই প্রবলেম এ, বা দেখা যায় যে এর মাধ্যম ধরে কিন্তু বিভিন্ন চোরাই ফোন বিক্রি, বা বিভিন্ন ধরনের অকারেন্স ঘটে, এটা কিন্তু বন্ধ করতে যাচ্ছে বি টি আর ছি, আর আপনি এর মাধ্যমেই খুব ইজিলি জানতে পারবেন যে আপনার ফোন টা কি বৈধ না কি অবৈধ, বা আপনার ফোন টি হারিয়ে গেলে বা চুরি গেলে আপনি চাইলে আপনার ফোন টি আপনি লক করে দিতে  পারবেন, বা বন্ধ করে করে দিতে পারবেন আপনার মোবাইল ফোন  টি।
 আচ্ছা এটা কি বাস্তব নাকি কল্পনা হা এটা বাস্তব এখন কথা হোল যে কিভাবে আপনার মোবাইল টি লোক করে বা বন্ধ করে দেওয়া হবে, এ ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে আপনার আই এম ই নাম্বার এর ডাটাবেজ, এখন আপ্নিই বলতে পারেন যে আই এম ই নাম্বার টা কি, অনেক এ হয়তো জানেন আবার অনেক এ জানেন না, তো যারা জানেন না আমি তাদের জন্য বলছি আপনি আপনার মোবাইল থেকে ডাইল করবেন *#06# এটা ডাইল করলে আপ্নিই দেখতে পাবেন যে আপনার আই এম ই নাম্বার টি চলে আসবে, এখন কথা হচ্ছে আপনার আই এম ই নাম্বার এর সংখ্যা হচ্ছে কিন্তু ১৫ ডিজিট এর  এর আগে পরে যদি কোন কিছু থাকে তাহলে আপনাকে সেটা সেন্ড করা লাগবে না, এ ক্ষেত্রে আমি আর  একটু বলি রাখি যদি আপনার ফোন টা যদি কোন ভাবে  চোরাই ফোন হয় বা কপি ফোন হয় সেক্ষেত্রে কিন্তু আপনার ফোন টি অবৈধ হেসাবে আপনার কাছে ম্যাসেজ আসতে পারে বা এমন হতে পারে যে আপনার ফোন টি আই এম ই নাম্বার টি ডাটাবেজ এ খুজে পাওয়া নাও যেঁতে পারে। আর একটা বাপার আপনার ফোন টি যদি দেশ এর বাইরে থেকে এশে থাকে তাহলে হয়তবা আপনার ফোন টি অবৈধ দেখাতে পারে, এক্ষেত্রে আসলে আপনাকে বলার মতো কিছুই নাই আসলে বি টি আর ছি জানে যে তারা কি করবে। আমার আপনাকে ইনফরমেশন দেওয়ার এই জন্যই দিচ্ছি, এখন হচ্ছে আপনি যখন আপনার ১৫ ডিজিট এর আই এম ই নাম্বার টি বের করে ফেলবেন তারপর আপ্পনি এস এম এস করবেন এস এম এস করার জন্য আপনার মোবাইল এর ম্যাসেজ অপশন এ যান তারপর আপনাকে লেখতে হবে "KYD 1234567890123456" বড় হাতের  লেখতে হবে তারপর স্পেস দিয়ে আপ্পনার ১৫ ডিজিট এর আই এম ই নাম্বার টা লেখতে হবে তারপর আপনাকে সেন্ড করে দিতে হবে 16002 এই নাম্বার এ তারপর কিছু খন পরে আপনার কাছে  এস এম এস চলে আসবে যে আপনার ফোন টা আসলে বৈধ না  অবৈধ, এটা গেলো একটা বাপার আর একটা বপার হচ্ছে আপনি উ এস ডি ডাইল করেও আপনার ফোন টি বৈধ না অবৈধ এটা চেক করতে পারবেন, সে জন্য আপনাকে  ডাইল করতে হবে *16002# আপনি যে কোন অপারেটর এর সিম দিয়ে চেক করতে পারবেন, আপনি *16002# ডাইল করবেন তারপর আপনি আপনার ১৫ ডিজিট এর আই এম ই নাম্বার টি ডাইল করবেন এবং আপনি জানতে পারবেন যে আপনার ফোন টি কি বৈধ না অবৈধ, এই বার আসি কিভাবে আপনি আপনার চুরি যাওয়া  ফোন টি লক বা বন্ধ করে দিবেন, সেক্ষেত্রে আপনার আই এম ই নাম্বার টি আপনাকে লেখে রাখতে হবে, অনেক সময় নতুন মোবাইল কেনার সময় মোবাইল এর ভিতর আই এম ই নাম্বারটি থাকে আবার নাও থাকতে পারে, তো এই জন্যই আপনার আই এম ই নাম্বার টি লেখে বা মনে রাখতে হবে, এখন কথা হোল যে আপনি বি টি আর ছি কে বললেন যে আপনার ফোন টি চুরি হয়ে গেছে বা আপনি যে কোন প্রবলেম এর জন্য আপনি আপনার মোবাইল টি লক করতে চাসছেন আপনি বললেই কিন্তু আপনি আপনার মোবাইল ফোন টি লক করতে পারবেন না, আপনাকে এ জন্য উপযুক্ত প্রমাণ দিতে হবে, আপনি যখন নতুন কোন মোবাইল ফোন কেনেন তখন কিন্তু আপনাকে একটা রসিদ দেওয়া হয়, আপনার অই রসিদ টাই লাগবে তখন, বা আপনার মোবাইল এর  বক্স টা দেখালেও হয়তবা হতে পারে। তো এই ছিল আজকে যে আপনি কিভাবে আপনার চুরি যাওয়া ফোন লক করতে পারেন। 

Comments

Popular posts from this blog

Google Adsense ইনকাম বাড়ানোর কার্যকারী কিছু টিপস

আপনার ব্লগে পর্যাপ্ত পরিমান ভিজিটর থাকা শর্তেও আপনার গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আরনিং ( Earning) অনেক কম হচ্ছে, কিন্তু কেন ? আপনার গুগল অ্যাডসেন্স থেকে ইনকাম কম হওয়ার পিছনে অনেক গুলা কারন কাছে। তাহলে চলুন সেই কারন গুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক, এবং সেই সঙ্গে কি করলে আপনার গুগল অ্যাডসেন্স থেকে মিনিনাম ৩০% ইনকাম বেশি করতে পারবেন।  গুগল অ্যাডসেন্স থেকে ইনকাম কম হওয়ার পিছনে কি কি কারন থেকে থাকে ?
আপনার ব্লগে পর্যাপ্ত পরিমান ভিজিটর না থাকার কারনে ।আপনি আপনার ব্লগে কি টাইপ এর কনটেন্ট পাবলিশ করেনআপনার কনটেন্ট গুলা কি ল্যাংগুয়েজ এর উপর বেজ করে তৈরি করা - মানে কি ভাষায় আপনার ব্লগের আর্টিকেল গুলা লেখা ।আপনার ব্লগে একটি পেজের ভিতর গুগল অ্যাডসেন্স এর কতো গুলা এড লাগানো আছে ।
আপনার ব্লগে অনেক ভালো ভালো কনটেন্ট আছে, কিন্তু আপনার ব্লগ এর বয়স বেশি দিন না, এই জন্য আপনার ব্লগ পপুলার ও না, আর এই জন্য আপনার ব্লগে ভিজিটর ও কম। তো যদি এমন এমন আপনার ব্লগ এর সব কিছুই ভালো শুধু আপনার ব্লগে ভিজিটর নেই। তাহলে আপনি বলুন আপনার ইনকাম হবে কিভাবে, ইনকাম হয়ার জন্য তো আপনার আগে ভিজিটর দরকার। তবে খুব অল্প ভিজিটর হলেই অনেক…

প্রফেশনাল ট্রাভেল ব্লগার হতে চান ? আপনার জন্য কিছু টিপস

বর্তমান ২০১৯ সাল আপনার মাথায় এই প্রশ্ন টা আসতেই পারে, এখন এই সময়ে কে ব্লগ পড়বে ?  তাও আবার ট্রাভেল ব্লগ। এখন তো ভিডিও এর যুগ, এখন কি কেঁউ ব্লগার পড়ে নাকি ? যদি আপনি এমন টা ভেবে থাকেন বা আপনার এমন টা মনে হয় তাহলে আমি বলবো আপনি সম্পূর্ণ ভুল। কেননা এখনও সারা বিশ্বে ৭২% মানুষ ব্লগ পড়ে। হ্যাঁ আমি ঠিক বলছি আপনি গুগলে সার্চ করে দেখতে পারেন। তো যাই হোক এখন মুল প্রসঙ্গে আশা যাক, আপনি কি একজন প্রফেশনাল ট্রাভেল ব্লগার হতে চান তাহলে আপনার জন্য কিছু দরকারি টিপস। এবং বিস্তারিত আলোচনা করবো ট্রাভেল ব্লগিং এর ভবিষ্যৎ নিয়ে। প্রফেশনাল ট্রাভেল ব্লগার হয়ে উঠতে গেলে এই বিষয় গুলা মেনে চলতে হবে
আপনাকে ভালো করে লিখতে হবেমিথ্যা বলতে বা লিখতে পারবেন না - বিস্তারিত পোস্ট এর ভিতর আলোচনা করছিআপনার বাজেট অনুযায়ী ট্রাভেল করাধৈর্য রাখতে হবে - পাশাপাশি আর্টিকেল লিখে যেতে হবে
দেখুন ব্লগিং করার মুল মন্ত্র হল সুন্দর করে লেখা। সে আপনি ট্রাভেল নিয়ে আর্টিকেল লিখুন বা অন্য কোন টপিক নিয়ে। আপনাকে এমন ভাবে লিখতে হবে যাতে করে আপনার লেখাটি যে পড়বে তার মনে একটা সুপস্ট ধারনা চলে আসে আপনি কি বুঝাতে চেয়েছেন, এবং সেই সঙ্গে আপনার লেখা পড়ে…

ডার্ক ওয়েব কি কিভাবে কাজ করে বিস্তারিত

ডার্ক ওয়েব নাম টাই কেমন একটু অদ্ভুত টাইপ এর টাই না। আর তা ছাড়া ডার্ক ওয়েব এর নাম শুনলেই অনেকে আছে আঁতকে উঠে। এবং অনেকে এটা বিশ্বাস ও করে যে ডার্ক ওয়েব অনেক খারাপ, ডার্ক ওয়েবে সব খারাপ কার্যক্রম হয়ে থাকে। আসলে ব্যাপার টা ঠিক টা নয়। ডার্ক ওয়েব বলতেই যে সব খারাপ তা নয়। ডার্ক ওয়েব কি, কেন এবং কিভাবে ব্যবহার করবেন এবং ডার্ক ওয়েব এর ভালো এবং খারাপ উভয় দিক নিয়েই বিস্তারিত বলবো। ডার্ক ওয়েব সম্পর্কে জানতে হলে আপনাকে আগে সার্ফেস ওয়েব এর কথা জানতে হবে।এখন এই সার্ফেস ওয়েব টা আবার কি? আচ্ছা আমি একটু সহজ ভাবে বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করছি, পুরো ইন্টারনেট এর ৪% হোল সার্ফেস ওয়েব এবং বাকি ৯৬% হোল ডার্ক এবং ডিপ ওয়েব। ডিপ ওয়েব এর প্রসঙ্গে একটু পরে আসছি। সার্ফেস ওয়েব বলতে বুঝায় যেমন ফেচবুক , ইউটিউব , ইন্সটাগ্রাম , টুইটার , গুগল এসব আর কি। 
ডার্ক ওয়েব কি ?
সার্ফেস ওয়েব এ আপনি যে সকল ওয়েবসাইট পাবেন তার ডোমেইন নেম এরকম হয়ে থাকে, .Com .Info .Net .Org আর ডার্ক ওয়েব এর ডোমেইন নেম হয়ে থাকে .onion, এবং আপনি সাধারণত সার্ফেস ওয়েব ব্রাউজ করার সময় যে সকল ব্রাউজার ব্যবহার করে থাকেন, আপনাকে ডার্ক ওয়েব ব্যবহার করতে হলে এসকল …