On
কিভাবে আপনি একজন সফল ব্লগার হতে পারেন এবং তার জন্য আপানকে কি কি রুল ফলো করতে হবে ২০১৯

হে বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই, আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি যে আপনিও কিভাবে কজন সফল ব্লগার হতে পারেন এবং তার জন্য আপানকে কি কি রুল ফলো করতে হবে তো চলুন এখন মুল পোস্ট এর দিকে যাওয়া যাক।

কিভাবে আপনি একজন সফল ব্লগার হতে পারেন

জি হা আমাদের ভিতরে অনেকেই এমন আছে যে তারা নতুন নতুন শুনছে যে ব্লগিং করে টাকা ইনকাম করা যাই, বা অনলাইন এ একটা ওয়েবসাইট করে সেখানে লেখা লিখি করে টাকা ইনকাম করা যায়, আচ্ছা তাই না এতটাই ইজি ? আপনার কি মনে হয় বন্ধু যে আপনি একটি ডোমেইন হোস্টিং নিলেন আর একটা ওয়েবসাইট তৈরি করলেন আর আপনি সেখানে পোস্ট লিখলেন আর কি তাহলেই কি আপনি অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন, কখনই না তার কারন টা আমি আপনাকে বুঝিয়ে বলছি, কোন একটা সময় আমার মাথায় অ ঠিক এমন চিন্তা ভাবনা ছিল যে আমি এরকম করবো, আর অনেক লোক আমার ব্লগ এ আসবে আর আমি সেখান থেকে ইনকাম করবো, বন্ধুরা এই চিন্তা ভাবনা টা যে কতটা ভুল সেটা আমি এই ২ বছর এ খুব ভালো ভাবে বুজতে পারছি, আমি এই দুই বছর এ না হলেই অন্তত ৯ টা সাইট বানিয়েছি, আর ফ্রিতে যে কতো গুলা ওয়েবসাইট বানিয়েছি তার তো কোন হিসাব নাই, তো তাহলে আমি কি ব্লগিং করে টাকা ইনকাম করতে পারছি ? হা হা না বন্ধু আমি কিছুই ইনকাম করতে পারি নাই, তবে করার ভিতর কি করছি আমি আমি আমাদের দেশ এর যতো গুলা বড় বড় ওয়েবসাইট আছে তাদের কে ফলো করছি এবং তাদের থাকে কপি করছি আর আমার সাইট এ পোস্ট করছি, আহ কি কাজ তাই না করে ফেলছি আমি, আমি এসব করতাম মনে মনে ভাবতাম যে অহ তাহলে আজ আমিও একজন ব্লগার, কিছু দিন পর থেকে আমিও টাকা ইনকাম করতে পারবো। আমার এই যে রাতারাতি ব্লগিং করে টাকা ইনকাম করার চিন্তা এই চিন্তা টা সুধুই চিন্তা থেকে গেলো আমি বিগত দুই টা বছর এ কিছুই করতে পারি নাই, শুধু মাত্র চিন্তা করা ছাড়া, সত্য কথা বলতে কি আমরা কিন্তু এমন ই রাতারাতি কিছু একটা করে ফেলে টেলে অনেক টাকা পয়সা ইনকাম করতে চাই, কিন্তু ওরে বন্ধু আমার এভাবে কখনো কোন কিছুই পসেবল না, আমি এতো গুলা কথা কেন বললাম এটা আপনি ভাবতে পারেন বা বলতে পারেন যে এসব কেন বলসো ভাই তুমি ? তার উত্তর টা হোল আমরা যারা ব্লগিং শুরু করে থাকি বা আমরা যারা ব্লগিং করবো বলে ভেবে নিয়েছি বা এক কোথায় এমন যে " আমাকে কেই থামাইতে পারবে না, আমি সবার থেকে কপি করবো, আহ আমি রাতারাতি টাকা কামামু" এই জন্যই এই কথা গুলা বলা, আপনি মানুন বা নাই মানুন আমরা সবাই কিন্তু এমন তাই করে থাকি। অখে তো চলুন এখন কিছু সিরিয়াস বিষয় নিয়ে কথা বলা যাক।
আপনি যদি সত্যই মনস্থির করে থাকেন যে আপনি ব্লগিং করবেন, বা আপনার লেখা লিখি করে টাকা ইনকাম করে খেতে হবে বা এরকম যে আপনাকে এই কাজ টা করতেই হবে শুধু মাত্র তাহলেই তাহলেই আপনি ব্লগিং কারিয়ার এর দিকে আগান, টা না হলে বন্ধু তোমার আম ও থাকবেনা ছালা ও থাকবেনা। আচ্ছা তাহলে এখন এটাই ধরে নিয়ে আগানো যাক যে আপনি ডিসিশন নিয়ে ফেলসেন যে আপনি ব্লগিং করবেন।


ওকে ওকে আমি বুজতে পারছি যে আপনি একজন ব্লগার হতে চান, এবং আপনি আপনার ব্লগ কেই আপনার কারিয়ার হিসাবে গরতে চান, ঠিক আছে, আপনাকে প্রথমেই কিছু কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে যেমন আপনাকে প্রথম থেকে টাকার চিন্তা মাথায় আনলে চলবে না, দ্বিতীয়ত আপনাকে এটা চিন্তা করলে হবে না কোন থিম টা ভালো হবে, বা অমুক সাইট এর অমুক থিম তাহলে আমাকেই অই অমুক থিম তাই আমার সাইট এ লাগাতে হবে, তারপর গুগল অ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হবে, তারপর কতো ভিসিতর এ গুগল অ্যাডসেন্স আমাকে কতো টাকা দিবে, তার পর অমুক সাইট এ এতো ভিসিটর তাহলে আমার সাইট এ নেই ভিসিটর কম কেন, তাহলে আমাকে অই সাইট থেকে কপি করতে হবে, এই সব আজাইরা চিন্তা ভাবনা মাথা থেকে পুরাই হাওয়া করে দিতে হবে। না হলে আম ছালা সব ই যাবে।

আপনাকে সব সময় যে জিনিস টা মাথায় রাখতে হবে সেটি হোল ভালো করে আর্টিকেল লেখা, আর কোন চিন্তা ভাবনা মাথায় কিছু নাই, এখন এর ভিতর ও অনেক কথা আছে যে আপনি কি রকম আর্টিকেল লেখবেন, আরে ভাই দুনিয়াতে কি টপিক এর অভাব আছে নাকি তুমি সানাই এর কেন বড় এই নিয়েও আর্টিকেল লেখতে পারো। আরে না ভাই মজা করছিলাম আপনি যে কোন বিষয় নিয়ে আর্টিকেল লেখতে পারেন যে কোন টপিক এর উপর সেটা যাই হোক না কেন, আরও কিছু বিষয় মনে করো তোমার মাথায় আমার মতো গোবর পুরা তাইলে তুমি কি করবে অন্নের কনটেন্ট কপি করবে, না না টা হবে না তাইলে তুমি কিন্তু পুরাই বাশ খেয়ে যাবে ভাই আমার, মজা করছিলাম আচ্ছা আমি মনে করলাম যে তুমি কোন টপিক পাচ্ছ না, মানে টা এরকম যে তুমি কোন টপিক পাচ্ছ না, আর যে টপিক গুলা তোমার মাথায় ঘুরা ফিরা করছে সেই টপিক গুলা অন্য কোন ব্লগার আগে থেকেই সেই টপিক নিয়ে পোস্ট টি করে ফেলছে, আরে ও ভাই তাতে তোমার কি কে কি করল না করল তুমি তোমার টপিক নিয়ে কনটেন্ট টা লেখ না, কিন্তু এই কথা টা মাথায় রাখতে হবে, মনে কর তুমি যে টপিক নিয়ে আর্টিকেল লেখবে সেই আর্টিকেল অন্য কোন ব্লগার আগে থেকেই লিখে ফেলছে, তাহলে তুমি কি করবে, তুমি সেই আর্টিকেল ই লেখবে কিন্তু সেটা তোমার মতো করে, তুমি কখনই এটা ফলো করতে যাবে না যে অই ব্লগার এই ভাবে লিখে তাহলে আমাকেও অই ভাবে লেখতে হবে, তুমি তোমার মতো করে লেখবে ভাই, দেখ সবার ই কিছু নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য আছে, তুমি তোমার মতো করে লেখবে আর আমি আমার মতো করে, বাট ভাই আবার ও বলছি যে তুমি তোমার ক্রিয়েটিভিটি দেখাতে যেয়ে কারো লেখার ইস্টাইল দয়ে করে কপি করবে না, তাহলে নিজে বুঝে কিছুই করতে পারবে না, তো ভাই যদি তুমি নিজেই কিছুই না বুঝ, তাহলে অন্নদের কি ঘণ্টা বুঝাবে। আর একটা বিষয় কি বল তো তুমি বা আমি আমাদের মাথায় যে আইডিয়া গুলা আজ আসচ্ছে সেই আইডিয়া গুলা অনেক আগেই কারো কারো না কারো মাথায় আসচ্ছে, এবং সে সেই জিনিস বল বা টপিক বল সেইটা নিয়ে আর্টিকেল অলরেডি লিখে ফেলছে, ভাই বর্তমান যে জামানা সেখানে তমাকে টিকে থাকতে হলে নিজের কিছু তো ক্রিয়েটিভিটি দেখাতে হবে, তুমি এরকম ভাবে কর একটা জিনিস যে জিনিস টা অলরেডি আছে, কিন্তু তুমি সেই জিনিস টা এভাবে করবে যাতে আগের জিনিস টা থেকে তোমার জিনিস টা দেখতে বা পরতে ভালো হয়, বা সবাই যাতে তোমার জিনিস টাকে এক নজরে দেখে বুজতে পারে যে আসলে এই জিনিস টা এই। তুমি একটা বাপার লক্ষ্য করে দেখতে পারো আমরা যখন কোন ব্লগ বা নিউ ওয়েবসাইট তৈরি করি তখন আমরা অনেক সময় ই ভেবে থাকি যে অরে বাবা এই টপিক নিয়ে তো অনেক বড় বড় সাইট আছে আমি তো তাদের কাছে কিছুই না, আরে ভাই তাদের কে ভুলে জাও আর নিজের কনটেন্ট এর উপর ফোকাস করে তাহলে আর কিছুই লাগবেনা, তুমি এমনিতেই সফল হবে। আর একটা বিষয় আমি তোমাদের একটু বলতে চাই জহন ই তোমার ওরকম মনে হবে অরে বাবা অই সাইট টা কতো বড় কতো ভিসিটর অই সাইট এ আসে প্রতি দিন, আমার সাইট তো তার কাছে কিছু না, আরে ভাই একটু ভেবে দেখ অই সাইট টি যখন তৈরি হইছিল সেটা ছিল বাবা আদম এর জামানা, তখন একটা সাইট করে একজন ব্লগার হওয়া খুব বেশি বড় কথা না, কারন তখন কম্পিটিটর ও অনেক কম ছিল, আর এখন আজ এর কথা চিন্তা করো, তুমি যে জিনিস টা আজ ভাবছো সেই জিনিস টা অন্য কেই অনেক আগেই ভেবে ফেলছে, এটাই এখন আজ কের বাস্তবতা। তো এটাই তুমি ভাববে আজ নিজিকে নিজের মতো করে এতো গুলা কম্পিটিটর এর থেকে বেটার করার চেষ্টা করবে, তাহলেই দেখবে যে তুমি সফল হতে পারবে। আর বন্ধুরা আমি যে কথা টা বলছি এটা তুমি ভাববে এই জন্য যে যাতে তুমি নিজেকে নিজে বুঝাতে পারো, যে না ও পারলে আমিও কেন পারবো না। তবে বাস্তবটা এটাই যে সেটা বাবা আদম এই সময় ই হোক বা এখন একজন সফল ব্লগার হওয়া টা বেশ একটু কঠিন। 

তো এবার আসি ফাইনাল কিছু টিপস এর দিকে বা কিছু রুল এর দিকে

তোমাকে এখন থেকে ৩ থেকে ৫ মাস অনেক পরিশ্রম করতে হবে, সেটা এমন করে যে তুমিজে টপিক এর উপর পোস্ট লেখো না কেন তোমাকে একটা রুটিন করে নিতে হবে যে আমি প্রতিদিন একটা বা ২ তো করে আর্টিকেল লিখব, তারপর অন্ততো ১২০+ আর্টিকেল তোমার ব্লগ এ থাকতে হবে এবং তার পর যেয়ে তোমাকে গুগল অ্যাডসেন্স এর কথা ভাবতে হবে। আর একটা কথা অনেকেই বলতে পারে বা তুমি নিজেও সুনে থাকতে পারো যে তুমি যে আর্টিকেল গুলা লেখবে সেই আর্টিকেল গুলা যেন ১০০০+ ওয়ার্ড এর হতে হবে, বা তার বেশি হতে হবে, আরে না ভাই না তুমি কি ঘণ্টা করে সব আর্টিকেল ১০০০+ ওয়ার্ড লেখবে, এটা ডিপেন্ট করে সম্পূর্ণ তুমি কোন টপিক এর উপর আর্টিকেল লিখছ তার উপর। এসব আলতু ফালতু কথা ভেবে নিজের দামি সময় কে বেয় করো না বন্ধু, আমি তোমাদের যা যা বলছি তোমরা আমার কথা গুলা ফলো করো, তাহলে দেখবে তোমাদের কে সফলতার দিকে দৌড়াতে হবে সফলতা তোমাকেই এসে ধরা দিবে, কারন আমি এসব আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। তোমাকে কোন কিছুই নিয়ে ভাবতে হবে না শুধু তুমি তোমার কনটেন্ট আর আর্টিকেল এর উপর সময় দাও, তাহলে দেখবে সফলতা এমনি চলে আসবে। তো বন্ধুরা ভালো থাকবে সবাই, আর যদি কারো কোন কিছু প্রশ্ন থেকে থাকে তাহলে কমেন্ট বক্স এ আমাকে কমেন্ট করে জানিয়ে দিতে পারো। ধন্যবাদ

Click to comment